May 29, 2026

Daily Amar Vasha

উত্তর জনপদে সত্য প্রকাশে দৃঢ়

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রয়োজন সচেতনতা

সম্পাদকীয়ঃ কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত ও সঠিকভাবে অপসারণ করতে জনসাধারণের সচেতনতা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। প্রতিবছর পবিত্র ঈদুল আজহায় যত্রতত্র পশু জবাই এবং বর্জ্য ফেলে রাখার কারণে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হয়।সিটি কর্পোরেশন বা স্থানীয় প্রশাসনের একার পক্ষে অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। তাই পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নাগরিকদের নিজ দায়িত্বেই সচেতন হতে হবে।

‎কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সিটি করপোরেশনের কর্মতৎপরতার চেয়ে নাগরিক সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেললে পরিবেশ দূষিত হয় এবং রোগজীবাণু ছড়ায়।নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

‎যত্রতত্র পশু জবাই না করে সিটি কর্পোরেশন বা স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দিন।পশু জবাইয়ের পর রক্তে পানি ঢেলে পরিষ্কার করুন এবং ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক ছড়িয়ে দিন।পশুর ভুঁড়ি, গোবর ও অন্যান্য উচ্ছিষ্ট শক্ত প্লাস্টিকের ব্যাগে বা বস্তায় ভালো করে জমিয়ে রাখুন। জমিয়ে রাখা বর্জ্যের ব্যাগটি ডাস্টবিন বা প্রশাসনের বর্জ্য সংগ্রাহক দলের হাতে তুলে দিন।পশুর কোনো অংশ বা রক্ত কোনোভাবেই খোলা ড্রেন বা নর্দমায় ফেলবেন না,এতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।পশুর অপ্রয়োজনীয় অংশ মাটির নিচে গভীর গর্ত করে পুঁতে ফেলুন।

‎ইসলাম ধর্মেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে ইমানের অঙ্গ বলা হয়েছে।ধর্মীয় উৎসব পালনের পাশাপাশি পরিবেশ ও প্রতিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

‎আসুন, নিজ নিজ এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সচেতন হই এবং একটি সুন্দর, দুর্গন্ধমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতে সিটি করপোরেশনকে সহায়তা করি।

Viewed 1650 times

Spread the news
Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.
error: Content is protected !!