শিশুদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা
শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। পরিবার হলো শিশুর প্রাথমিক সুরক্ষাবলয় এবং সমাজ হলো তার বিকাশের উন্মুক্ত ক্ষেত্র।এই দুই স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি না পেলে শিশুর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অসম্ভব।
শিশুর সাথে খোলামেলা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করুন।শিশুকে ‘গুড টাচ’ এবং ‘ব্যাড টাচ’ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিন।শিশুর আচরণে কোনো পরিবর্তন (যেমন: হঠাত চুপচাপ হয়ে যাওয়া) দেখলে তা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন।ইন্টারনেটে শিশু কী দেখছে এবং কার সাথে যোগাযোগ করছে তা পর্যবেক্ষণ করুন। ঘর ও আশপাশের পরিবেশকে দুর্ঘটনা-মুক্ত (যেমন: বিদ্যুৎ, ধারালো বস্তু, বা খোলা ছাদ) রাখুন।পাড়া-মহল্লায় শিশু নির্যাতন ও কিশোর অপরাধ রুখতে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।খেলার মাঠ, স্কুল এবং বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।শিশু অধিকার ও আইনি সুরক্ষা (যেমন: হেল্পলাইন ১০৯৮) সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করুন।যেকোনো বিপদে প্রতিবেশীর শিশুকে নিজের শিশুর মতো আগলে রাখার মানসিকতা তৈরি করুন।
শিশু সুরক্ষা ও সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার বাড়াতে হবে।পারিবারিক নৈতিক শিক্ষা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার সম্মিলিত প্রয়াসই পারে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলতে।
Viewed 900 times