February 3, 2026

Daily Amar Vasha

উত্তর জনপদে সত্য প্রকাশে দৃঢ়

“আত্মকথন”

স্বপ্ন যখন দেখতে শিখেছি,

পূরন তো তবে করতেই হবে।

স্বপ্ন যত বড় দেখবে,

প্রতিক্ষার প্রহর তত দীর্ঘ হবে।

যে যাই বলুক তাতে আমার,

কোন কিছু জায়না-আসে!!

প্রতিবন্ধকতার শিকল ভেঙ্গে,

গাইবো আবার নতুন সুরে।

তা শুনে আবার তোমাদের মনে,

আবার যেন ওঠে নাকো ঝড়!!

কিভাবে পেছন থেকে পা আবার ধরবে টেনে,

পরিকল্পনা সাজাতে দিবা-নিশি তুমি যে বিভোর!?

কাছের মানুষের প্রতিহিংসাতে,

ধ্বংস হচ্ছে কত স্বপ্ন যে নিরবে!!

আবার তারাই যখন সামনে আসে,

বলবে,আমরা আছি তো পাশে!?

প্রয়োজনে খুঁজতে গেলেই,

বাস্তবতার প্রমাণ মেলে।

অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে,

সে গর্তে পতিত হতে হয় নিজেকে।

আমিও তো মানুষ ভায়া,

নই তো কোন ফেরেশতা!!

তবে ক্ষতি করিনি কারো আজও,

আমি আমার এ জীবন‌ দশায়।

জানি সে আমার জানের দুশমন,

বদদোয়া করিনাই তার জন্যেও!!

মালিকের কাছে শুধু এতটুকু বলি,

হেদায়েত দাও তুমি সবার মাঝে।

বিপথগামী সকল মানুষের হৃদয়ে।

নাস্তিক যখন আস্তিক হয়,

প্রভূভীরুও তখন পরাজিত হয়।

উপকার যদি করতে না পারো,

করবেনা ক্ষতি,জেনে অথাবা না জেনে কারো!!

এর ফল তোমায় ভোগ করতে’ই হবে,

বংশপরম্পরায় এই দুনিয়াবি জীবনে।

একটি বিষয় বেশ অবাক করে,

আজকাল খুব নিজেকে!!

যারা কিছুই পায়নি কখনো,

আমার জীবনের কোন সময়ে।

সু-সময়েও নেইনি তারা,

সুযোগ সুবিধা কখনো আমার কাছে।

তাদের কে হঠাৎ দেখি নিজের পাশে,

যখন আমি সু-সময় থেকে বহুদূরে!!

নিঃর্স্বার্থ ভালোবাসা কি তবে,

এখন আছে এই পৃথিবীর বুকে!?

আর যারা যত বেশি পেয়েছে,

দূর্নাম তারাই রটাতে চেয়েছে!!

মনে রেখ যে যেমন কর্ম করে,

ফল তারা তেমনি পাবে।

প্রবীণদের মুখে বলতে শুনেছি,

মালিকের না কি ভোঁতা কেঁচি,

কাটে না কি ধীরগতিতে!!

আর গরিবের কথা না কি বাসি হলে,

সত্য বলে সবাই মানে।

মুখে মধু অন্তরে বিষ,

এই কথা কেন বলিস!!

আমরা সবাই স্বার্থান্বেষী,

স্বার্থ শেষে সবাই সাধু-সন্ন্যাসী।

রক্তের সম্পর্কের মাঝেও বিদ্যমান,

স্বার্থের বিড়াট টানা-পোড়ান!?

চুন থেকে শুধু খসলেই পান,

চিরতরে শেষ হবে রক্তের টান!?

নিজ স্বার্থ সবাই আগে দেখে,

আপন-পর নির্বিশেষে।

একই পিতা-মাতার সন্তান,

ভিন্ন ভিন্ন তাদের অবস্থান!?

সব পেয়েছে বড় সন্তানেরা,

ছোটরা কেন বৈষম্যের শিকার!?

লেখিনা আমি দীর্ঘদিন,

ছন্দে হতে পারে গড়-মিল।

লিখি আমি আপন মনে,

লেখকরা একটু পাগল বটে!!

তবে পাগল কিন্তু সত্য বলে,

যে কারণে সবাই তারে পাগল বলে,

নিজের মনের শান্তি খোঁজে।

একটি লেখা নয় উদ্দেশ্য প্রণোদিত,

কল্পনা থেকেই হয় রচিত।

কেউ লিখছে ছড়া,কবিতা,

কেউ বা লিখছে উপন্যাস।

কেউবা আবার দিনের শেষে,

লিখে চলেছে নিজের’ই ইতিহাস।

কল্পনার শক্তি যার যত তীক্ষ্ণ,

তার লেখনী গভীরতা ততটা দৃঢ়।

যে যাই বলুক আমি আমার মতন,

সঠিক সময়ে বাধবো গান।

সেই গানের’ই সুরে সুর মিলিয়ে তখন,

গাইবে অজানা কত আপনজন।

সেই মুখ গুলো কোথায় ছিল,

যখন কালো মেঘে ঢাকা ছিল আসমান!!

তখন কি তুমি ভেবেছিলে,

বাঁধবো আবার নতুন গান!?

তখন সবার মুখে শুনেছি,

পারবে না কো বাঁধতে আর গান।

অযথায় শুধু মিথ্যে বুলি আউরিয়ে,

বাঁচাতে চাইছে নিজের মান!!

দিন এখন তার শেষের দিকে,

আসবেনা আর মোদের প্রয়োজনে।

নিজেই পারছেনা ঠিক ভাবে চলতে,

কিভাবে চালাবে আমাদের কে!?

তাই বলছি ভালোর জন্যে,

আর ফিরে তাকিয়োনা তার দিকে।

যদি কখনো আবার ঘুরে দাঁড়ায়,

তখন ফিরে যাব মোরা যে যার ধান্দায়।

মালিকের উপরে ভরসা রেখে,

আমি যাব চেষ্টা চালিয়ে।

মালিকের ফয়সালাতে দিবে বাঁধা

দুনিয়াতে এমন স্বাদ্ধ আছে কোন ব্যাটার!?

সময় আমাদের শিখিয়ে যায়,

আর আমাদের বুঝিয়ে দেয়।

আপন-পরের ব্যাবধান,

চোঁখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

ধৈর্যের সময় যত দীর্ঘ,

তার ফল তত’ই সুমিষ্ট।

                          _আশিক সুজন।

Viewed 1300 times

Spread the news
Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.
error: Content is protected !!