May 10, 2026

Daily Amar Vasha

উত্তর জনপদে সত্য প্রকাশে দৃঢ়

মুজিজা কী? এটি অস্বীকার করলে ঈমান থাকবে

ডেস্ক রিপোর্টঃমুসলমানদের কাছে বিশেষ পরিচিত একটি শব্দ মুজিজা। মুজিজা শব্দটি আরবি। এর অর্থ ‘অক্ষমকারী অলৌকিক নিদর্শন। নবীগণ তাদের নুবুওয়াতের দাবি প্রমাণ করতে যে সকল অলৌকিক নিদর্শন প্রদর্শন করেন সেগুলোকে ‘মুজিজা’ বলা হয়।

কুরআন-হাদিসে মুজিজা শব্দটি ব্যবহৃত হয় নি, মুজিজা বুঝাতে ‘আয়াত’ (الآية) অর্থাৎ চিহ্ন বা নিদর্শন বলা হয়েছে। পরবর্তী যুগে ‘মুজিজা’ পরিভাষাটির উৎপত্তি। নতুন পরিভাষা ব্যবহারে কোনো আপত্তি নেই।

নবী-রাসূলরা আল্লাহর ইচ্ছায় মুজিজা প্রদর্শন করেছেন। আল্লাহ বলেন,তারা (কাফিরগণ) বলত: ‘তোমরা (নবীগণ) তো আমাদেরই মত মানুষ। আমাদের পিতৃপুরুষগণ যাদের ইবাদত করত তোমরা তাদের ইবাদত থেকে আমাদেরকে বিরত রাখতে চাও। অতএব তোমরা আমাদের নিকট কোনো অকাট্য ক্ষমতা (মুজিজা) উপস্থিত কর। তাদের রাসূলগণ তাদেরকে বলতেন: সত্য বটে আমরা তোমাদের মত মানুষ বৈ কিছুই নই, কিন্তু আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করেন। আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত তোমাদের নিকট ক্ষমতা (মুজিজা) উপস্থিত করা আমাদের কাজ নয়। মুমিনগণের আল্লাহরই উপর নির্ভর করা উচিত। (সুরা ইবরাহীম, আয়াত : ১০-১১)

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কোনো নিদর্শন (মুজিজা) উপস্থিত করা কোনো রাসুলের কাজ নয়। (সুরা রাদ, আয়াত : ৩৮)

পবিত্র কুরআন ছাড়াও নবী করীম (সা.)-এর থেকে অসংখ্য মুজিজা প্রকাশিত হয়েছে, যা নির্ভরযোগ্য সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

যেমন, বুখারি ও মুসলিমের একাধিক বর্ণনায় নবী করীম (সা.) এর আঙ্গুলের ডগা থেকে পানির ঝর্ণা প্রবাহিত হওয়া এবং সাহাবিদের এক বিশাল জামাত সেই পানি দ্বারা নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করার ঘটনা প্রমাণিত আছে। এ ধরনের মুজিজাকে অস্বীকার করা পথভ্রষ্টতা ও গোমরাহী।

Viewed 5200 times

Spread the news
Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.
error: Content is protected !!