প্রথমে হতুড়ি দিয়ে আঘাত আতঃপর চাকু ও রেন্স দিয়ে ইকবালের মৃত্যু নিশ্চিত করে রতন
আশিক সুজনঃ বগুড়া শহরের দত্তবাড়িতে অবস্থিত শতাব্দী ফিলিং স্টেশনে চাঞ্চল্যকর ইকবাল হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন।তবে হত্যাকাণ্ডের ১২ ঘন্টার ভিতরে হত্যাকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে ডিবি পুলিশ বগুড়া।
হত্যাকারী রতনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জানা যায়,রতন ও ইকবাল সহকর্মী ছিলেন।তবে প্রায়ই ইকবাল রতনের নামে বিভিন্ন দূর্নীতির অভিযোগ দিতেন মালিক পক্ষের কাছে।আর ইকবাল ছিলেন মালিকপক্ষের একজন বিশ্বস্ত কর্মচারী।তাই কাজটি রতন না করলেও ইকবালের অপকর্মের সকল দ্বায় রতনের উপর সহজেই বর্তায়ে দিত নিহত ইকবাল।এবং দ্বায় এড়াতে বিভিন্ন সময় ইকবালের হাতে চর-থাপ্পরের স্বীকার হয়েছে রতন।
মালিক পক্ষে ও ইকবালের কাছে লাঞ্ছিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা তৈরি করেন রতন।এর’ই ফলশ্রুতিতে গত শনিবার অনুমানিক রাত ০২.৩০ মিনিটে প্রথমে হতুড়ি দিয়ে আঘাত করে ইকবালকে অতঃপর মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য চাকু ও রেন্স ব্যবহার করেন।মৃত্যু নিশ্চিত করে ক্যাশে থাকা ৩৬ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় রতন।
এই বিষয়ে গোয়েন্দা শাখার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃইকবাল বাহার বলেন,আসলে মিথ্যা অপবাদ ও লাঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই এই হত্যাকাণ্ডর ঘটনাটি ঘটেছে। হত্যাকারী সুপরিকল্পিত ভাবে হত্যাকাণ্ডেটি ঘটিয়ে ক্যাশে থাকা ৩৬ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।তবে হত্যাকাণ্ডের ১২ ঘন্টার ভেতর আমরা হত্যাকারীকে ঢাকা গাজীপুর কালিয়াকৈর থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং ক্যাশে থেকে নিয়ে যাওয়া ৩৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তারেরকৃত আসামি রতনকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে উক্ত তথ্যগুলো পাওয়া যায়।গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।
Viewed 6450 times


