শহীদ মিনারে জামায়াতের শ্রদ্ধা জানানো প্রসঙ্গে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ও ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে কারণেই হোক দেশে এবং দেশের বাইরে গিয়ে তারা তাদের অবস্থান নিয়ে ক্ষমা চেয়েছে। যদিও তাদের ক্ষমা চাওয়ার ভাষাটা অনেকের পছন্দ নাও হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনো এই বিভেদকে আঁকড়ে ধরে থাকব? আমরা কি জাতিকে আবারও বিভক্ত করে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবো, ঠিক যেভাবে আওয়ামী লীগ নিয়ে গিয়েছিল? বিভাজনের রাজনীতি দেশের জন্য কখনোই কল্যাণ বয়ে আনে না এবং অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি।
জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ও ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে কারণেই হোক দেশে এবং দেশের বাইরে গিয়ে তারা তাদের অবস্থান নিয়ে ক্ষমা চেয়েছে। যদিও তাদের ক্ষমা চাওয়ার ভাষাটা অনেকের পছন্দ নাও হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনো এই বিভেদকে আঁকড়ে ধরে থাকব? আমরা কি জাতিকে আবারও বিভক্ত করে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবো, ঠিক যেভাবে আওয়ামী লীগ নিয়ে গিয়েছিল? বিভাজনের রাজনীতি দেশের জন্য কখনোই কল্যাণ বয়ে আনে না এবং অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি।
ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের বর্তমান সংকটগুলো মোকাবিলা করা। বিভেদ নয়, বরং ঐক্যই ছিল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের আসল উদ্দেশ্য।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে শহীদ দিবস পালিত হওয়া একটি ইতিবাচক দিক। নতুন সরকার দেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চায় যেখানে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনগুলো মিটে যাবে।
প্রসঙ্গত, প্রথমবারের মতো শহীদ মিনারে গিয়ে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়েছেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা।
ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের বর্তমান সংকটগুলো মোকাবিলা করা। বিভেদ নয়, বরং ঐক্যই ছিল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের আসল উদ্দেশ্য।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে শহীদ দিবস পালিত হওয়া একটি ইতিবাচক দিক। নতুন সরকার দেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চায় যেখানে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনগুলো মিটে যাবে।
প্রসঙ্গত, প্রথমবারের মতো শহীদ মিনারে গিয়ে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়েছেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা।
Viewed 900 times




