বগুড়ায় শিপা নামের শিক্ষার্থীর নিজে আত্মহত্যা করেছে না : ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে?

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী স্টোর রুমে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। পরে মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণ হওয়ার আলামত পাওয়া গেছে।
এবিষয়ে শিক্ষার্থীর বাবা বাদি হয়ে গত ১৮ মার্চ বগুড়া সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-৫৮
মামলা সূত্রে জানা গেছে, জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার পাথাট্টি গ্রামের সিদ্দিক প্রাং এর মেয়ে শিপা (১৪), বগুড়া শহরের ১৫ ওয়ার্ডের গোদারপাড়া তা’লীমুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসাতে প্রায় ৪ বছর যাবৎ পড়াশুনা করছেন। গত ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল অনুমানিক ৯ টার সময় তার প্রতিবেশী চাচাতো ভাই মোঃ রাজু মিয়া জানায় যে সিদ্দিক এর মেয়ে উক্ত মাদ্রাসার স্টোর রুমে গলায় ফাঁস নিয়া আত্মহত্যা করেছে। সেই কথা শোনার পর একই দিনে আমি আমার স্ত্রী ও আত্মীয় স্বজনসহ সকাল অনুমানিক সাড়ে ১০ টায় মাদ্রাসায় যাওয়ার পর আমার মেয়ের মৃত দেহ মাদ্রাসার স্টোর রুমের মেঝেতে দেখতে পাই।
পরে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রীদের মাধ্যমে জানতে পারি ঐ দিন যে কোন সময় মাদ্রাসার স্টোর রুমের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট এর জন্য লাশ মর্গে প্রেরন করেন।
তিনি আরো বলেন, পরবর্তীতে আমি পুলিশের মাধ্যমে জানিতে পারি মেয়ের ময়না তদন্ত রিপোর্টে শরীরে ধর্ষনের আলামত পাওয়া গেছে। আমার ধারনা আমার মেয়ে গোদারপাড়া তা’লীমুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসাতে পড়াশোনা করাকালে যেকোন সময় কারো দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছিলো। যার ফলে মানষিক চাপে মাদ্রাসার স্টোর রুমে গলায় ফাঁস নিয়া আত্মহত্যা করে। আমার মেয়ের আত্মহত্যার পরে তার হাতে অস্পৃষ্ট একটি মোবাইল নাম্বার লেখা দেখতে পাই।
উল্লেখ্য, বর্তমানে সদর থানার এসআই ফিরোজ মামলার তদন্ত করা কালে ঐ মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বগুড়া থানায় নিয়ে আসেন, ওই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মঈন উদ্দিন জিজ্ঞাসাবাদের পরে দেলোয়ার হোসেন নির্বিঘ্নে বাসায় ফিরে যান বলে গোপন সূত্রে জানা যায়।
“সম্পাদক কর্তৃক প্রকাশিত”
Viewed 80 times