May 11, 2026

Daily Amar Vasha

উত্তর জনপদে সত্য প্রকাশে দৃঢ়

শাজাহানপুরে জমি নিয়ে বিরোধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন জমি অধিগ্রহণের অর্থ আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ

রুহুল আমিন শাহিন ,জেলা প্রতিনিধি বগুড়া: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার রহিমাবাদ দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. বকুল হোসেন তার প্রতিবেশী ফুল মাহমুদের বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টা, মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ সম্মেলন এবং ক্ষতিপ‚রণের অর্থ আত্মসাতের অপচেষ্টার অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে বকুল হোসেন আজ ১১ নভেম্বর সকাল ১১টায় বগুড়া প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে ন্যায় বিচার চেয়েছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বকুল হোসেন বলেন, “গত ৩ নভেম্বর বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ফুল মাহমুদ তার (বকুল হোসেনের) স্বত্বদখলীয় জমির মালিকানা দাবি করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করেছেন।’

 

অভিযোগে জানা যায়, ফুল মাহমুদের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ও আরও তিনজন এসএ ৩৩০৮ দাগে ১০ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ এবং ৩৩০৯ দাগে ৩ শতাংশসহ মোট ৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে সেই জমির চারপাশে বাউন্ডারি ওয়াল তুলে সেখানে একটি সিএনজি গ্যারেজ নির্মাণ করে ভোগদখলে রয়েছেন।

 

অন্যদিকে, এসএ খতিয়ানের মালিক মুনছুর রহমান মণ্ডলের কাছ থেকে ১৯৭২ সালে আবু তালেব মণ্ডল ৩৩০৮ দাগের সম্পত্তি ক্রয় করেন। পরে আফজাল হোসেন খান ১৯৯৬ সালে ওই দাগসহ ৩৪ শতাংশ জমি আবু তালেব মণ্ডল কাছ থেকে ক্রয় করেন। তৎপরবর্তীতে আফজাল হোসেনের কাছ থেকে ২০১৯ সালে বকুল হোসেন ৪.২৭ শতাংশ জমি (বর্তমান আরএস দাগ ৩৮২১) ক্রয় করেন।

 

বকুল হোসেন বলেন, “আমার ক্রয়কৃত জমির হাত নকশায় পজিশন পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে। বাস্তবে জমিটি দক্ষিণ পাশে অবস্থিত, আর ফুল মাহমুদের স্ত্রীর জমি উত্তর পাশে।”

 

তিনি জানান, মহাসড়ক প্রশস্ত করার সময় তার জমি থেকে ০.৯৪ শতাংশ এবং ফুল মাহমুদের স্ত্রীর জমি থেকে ১.৫৬ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয়। সে অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ শাখা থেকে উভয় পক্ষের নামে পৃথক চিঠি ইস্যু করা হয়। কিন্তু ফুল মাহমুদ অন্যায়ভাবে তার (বকুল) ক্ষতিপূররণের অর্থ উত্তোলনের বিরুদ্ধে আপত্তি জানান।

 

বকুল হোসেনের দাবি, দীর্ঘদিন যাবত তার দখলীয় জমির ওপর একটি চালু স’মিল রয়েছে। “সার্ভেয়ারগণ জমির বাস্তব দখল যাচাই করে প্রতিবেদন দেন, মালিকানা নির্ধারণ করার এখতিয়ার তাদের নেই। কিন্তু ফুল মাহমুদ সার্ভেয়ারগণের নামে মিথ্যা অভিযোগ করে বগুড়া জেলা প্রশাসনের ভাবম‚র্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা করেছেন। প্রকৃতপক্ষে, সার্ভেয়ারগণ ইচ্ছা করলেও আমার জলজ্যান্ত দখল অস্বীকার করে ফাতেমা গংদের পক্ষে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারতেন না।

 

তিনি আরো অভিযোগ করেন, “ফুল মাহমুদ একজন মামলাবাজ, মিথ্যাবাদী ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির ব্যক্তি। তিনি আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছেন। তার ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা যে কোনো সময় আমার প্রাণনাশ করতে পারে।” তিনি এ ব্যাপারে প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

Viewed 6050 times

Spread the news
Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.
error: Content is protected !!