বগুড়া সদর উপজেলার রাজিয়া সুলতানার বাড়ীঘর ভাঙচুর ও জমি দখলের চেষ্টাঃবগুড়া সদর থানায় অভিযোগ দায়ের
আঃওয়াহেদ ফকির,বগুড়াঃ বগুড়া সদর উপজেলার নামাজা ইউনিয়নের সাং-নামুজা ভান্ডারীপাড়ার মোছা: রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে, বগুড়া থানায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অভিযুক্তরা হলেন ১। মোঃ রমজান আলী (৪০), পিতা মন্টু ২। মো: আজিজুল (৩৫) পিতা বজলু সদ্দার ৩। মো: মতিন (৩০) পিতা মো: ফজলু সদ্দার ৪। মো: বাছেদ (৪৫), ৫। মোঃ জামাল (৫০) ৬। মোঃ বাদশা (৬০) সকলের পিতা-মৃত কাশেম, ৭। মোঃ মোস্তাকিম (৩০) পিতা মো: জামাল ৮। মোঃ আলম (৫৫) পিতা-মৃত চাঁন মিয়া, সকলের সাং-নামুজা ভান্ডারীপাড়া ৯। মোঃ পোল্লাদ (৩৫) পিতা-অজ্ঞাত ১০। মোঃ উজ্জল (৩৫) পিতা-অজ্ঞাত, উভয়ের সাং-নামুজা ঠাকুরপাড়ায়, সকলের থানা ও জেলা-বগুড়াগনসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন মোছা: রাজিয়া সুলতানা। সদর উপজেলা নামুজা মৌজার হাল দাগ নং-১৭৬৯ দাগের ১.২৫ শতাংশ জমি আমার স্বামী মোঃ আবু হাসানের ক্রয়কৃত সম্পত্তি। উপরোক্ত বিবাদীগণ আমাদের নিম্ন বর্ণিত জমি জোর পূর্বক দখলে নেওয়ার জন্য দীর্ঘ দিন ধরে পায়তারা করে আসছে । ইতি পূর্বে বিবাদীরা উক্ত জমি আমাদেরকে মারপিট করে ও বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান আছে। বিবাদীদের নিকট জমির বিষয় নিয়ে স্থানীয় ভাবে সালিশ বসলে তাহারা কোন কাগজপত্র উপস্থাপন করেতে পারে নাই এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে, সরকারী আমিন দ্বারা জমির পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করে, উক্ত জমিতে আমরা টিনের বেড়া দিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করিতেছি। কিন্তু বিবাদীরা আমার স্বামীর জমি দখল নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে আমাদের ভয়ভীতি ও হুমকী প্রদর্শন করে আসিতেছে। এমতাবস্থায় আজ শনিবার ৬ সেপ্টেম্বর অনুমানিক সকাল ১০টায় উপরোক্ত সকল বিবাদীগণসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা আমাদের বাড়ীতে আসিয়া আমার স্বামীর জমি দখলে নেওয়ার জন্য জমির টিনের বেড়া ভাংচুর করে ৩ থেকে ১০ নং বিবাদীগণসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা বেড়া ও খুটি নিয়ে যায়। যার অনুমানিক ৫০ হাজার টাকার টিন ও খুটি চুরি করে নিয়ে যায়। অপর দিকে ১নং বিবাদীর হুকুমে ও নেতৃত্বে সকল বিবাদীগণ আমাদের ঘরে প্রবেশ করে ১নং বিবাদী আমার শয়ন ঘরের ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে রক্ষিত নগদ (এক লক্ষ) টাকা, ২নং বিবাদী ১ টি রেডমি ও ১ টি রিয়েলমি স্মার্ট মোবাইল ফোন যার মূল্য অনুমানিক ৫৫ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। এ ছাড়া বিবাদীগণ আমার ঘরের জিনিসপত্র ভাংচুর করিয়া ও নষ্ট করিয়া অনুমান ২০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। আমি বিবাদীদের বাধা দিতে গেলে ৯ ও ১০নং বিবাদীদ্বয় আমাকে মারপিট করে সাধারণ জখম করে এবং আমার গায়ে হাত দিয়া ও পড়নে কাপড় ছিড়িয়া শ্লীলতাহানী করে। আমার দাদী মোছাঃ জাহানারা বেগম (৬৫) আমাকে রক্ষার জন্য আগিয়া আসিলে বিবাদীগণ আমার দাদীকেও মারপিট করে জখম করে। আমাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন, অনেকেই জানেন ও দেখিয়াছেন। বিষয়টি নিয়া আত্মীয় স্বজনের সাথে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দায়ের করিতে বিলম্ব হলো। শনিবার দুপুরে জান মাল রক্ষার জন্য বগুড়া সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে আসেন, এমন খবর বিবাদী গণরা আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে আবারো লাঠি সোটা নিয়ে হামলা করার জন্য আমার বাড়িতে গিয়েছে। এ বিষয়ে নামুজা ইউনিয়নের বিট ইনচার্জকে, মোবাইল ফোনে জানো হয়েছে।
Viewed 8000 times


