May 9, 2026

Daily Amar Vasha

উত্তর জনপদে সত্য প্রকাশে দৃঢ়

৩০ হাজারের বেশি ভোট পড়ার আশা আবু বাকেরের

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু নির্বাচনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) প্যানেলের জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদার বলেছেন, এখন পর্যন্ত খুবই চমৎকার পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। বিশেষ করে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ভোটার আছেন, ডাকসু’র, তারা এসে লাইন ধরেছেন এবং ভোটের হিড়িক পড়েছে। আমার যেটা ব্যক্তিগত অ্যাসেসমেন্ট, আমি প্রায় সবগুলো কেন্দ্রে ঘুরে এসেছি। সবগুলো কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়। আমি আশাবাদী ৩০ হাজারের বেশি ভোট আজকে কাস্ট হবে।

তিনি বলেন, আবাসিক, অনাবাসিক, আমাদের নারী শিক্ষার্থী সবাই অংশগ্রহণ করছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ বৈধ শিক্ষার্থীদের ভোটে তাদের বৈধ প্রতিনিধি পেতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার সকালে কার্জন হলে এসব কথা বলেন আবু বাকের মজুমদার।

আবু বাকের মজুমদার বলেন, শিক্ষার্থীদের সাথে যেখানেই কথা বলছি, সেখানে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি। আমরাও জয়ের জন্য আশাবাদী। আপনারা দোয়া করবেন, দেশবাসী দোয়া করবেন, আমাদের অভিভাবক যারা আছেন দেখছেন, তারা দোয়া করবেন। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে একজন প্রার্থীর বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে। তিনি ভোটকেন্দ্রে ঢুকেছেন। মনোনীত ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান তিনি ইতিমধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। শুধু নরমাল লঙ্ঘন না, তিনি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন এবং শিক্ষার্থীরা এটাকে খুবই নেতিবাচকভাবে দেখছে, নেটিজেনও নেতিবাচকভাবে দেখেছে। আমি এরই মধ্যে দেখেছি।

ডাকসুর এ জিএস প্রার্থী বলেন, কিছু প্রশ্ন উঠেছে, কিন্তু আমি মনে করি এটা নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা। কারণ তারা কোনো রেড লাইন দিয়ে দেয়নি যে কতটুকুর মধ্যে করা যাবে, কতটুকু করা যাবে না, কোনো ডিরেকশন দেয়নি। তারপরও শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে দেখবেন যে নিজেরা নিজেদের ভলেন্টিয়ারিং করছে এবং এই ইতিবাচকতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জুলাই পরবর্তী সময়ে নতুন অধ্যায়। আমরা মনে করি, জাতীয় নির্বাচনে এই ডাকসু নির্বাচন ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে। এটা একটা শিক্ষা হিসেবে কাজ করবে, যদি শেষ পর্যন্ত আমরা সুষ্ঠু একটা ইলেকশন পাই।

বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ রেখে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন এই ক্যাম্পাসে আমরা কাজ করছি শিক্ষার্থীদের পক্ষে। যখন ছাত্রলীগ ছিল, ওই সময়ে যদি ১০ জন মানুষ দাঁড়ায়, তাদের মধ্যে আমাদের একদম টপ লেয়ারে যারা ছিল, তারা ছিলাম। যখন এই ক্যাম্পাসে ১০,০০০ শিক্ষার্থী নেমে এসেছে, তখন আমরা ছিলাম। জুলাই অভ্যুত্থানে আমাদের সৌভাগ্য হয়েছে সামনে থাকার। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি নেতৃত্ব দেওয়ার। জুলাই পরবর্তী সময়ে আমরা শিক্ষার্থীর সাথেই আছি। তো আমরা শতভাগ আশাবাদী, শিক্ষার্থীরা আমাদেরকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করবেন। এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের ভোটে বৈধ প্রতিনিধি পেতে যাচ্ছে।

ছাত্রদল প্রার্থীর আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে আজকে আসলে লিখিতভাবে দেওয়ার ওই সুযোগটা নাই। তবে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে অবগত যে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে। আমরা তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের কোনো বিবৃতি দেখিনি, কোনো ধরনের কোনো ব্যাখ্যা দেখিনি। তো এটা শিক্ষার্থীদের আশাহত করছে, সেটা এখন না। যখন থেকে আমাদের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হয়েছে, তারপর থেকে যত আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে, কোথাও আমরা দেখি নাই যে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে এবং শিক্ষার্থীরা এই বিষয়ে অবশ্যই অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের প্রতি হতাশ হয়েছে। তবে আজকের শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে তারা কিন্তু এই ভলেন্টিয়ারিং করছেন, তারা ভোট দিচ্ছেন। এটা খুবই ইতিবাচক। আমরা আশাবাদী, আমরা একটা সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ ইলেকশন পেতে যাচ্ছি।

এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কিছু বহিরাগতদের উপস্থিতি আমি টিএসসিতে দেখেছি। আমি সেখানকার উপস্থিত প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। তারা ব্যবস্থা নেবে বলেছে। আমি সর্বশেষ আপডেট এখনো জানি না। তবে আপনাদের আহ্বান করব, আপনারা তাদেরকে যদি এরকম দেখেন, নোটিশ করবেন। অবশ্যই এটা হওয়া উচিত না। ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা ভলান্টিয়ারিং করছেন। আমাদেরকে পান বা না পান একজন ভোটারকে বলুন, তিনি দেখবেন রেসপন্সিবিলিটি নেবেন।

Viewed 6250 times

Spread the news
Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.
error: Content is protected !!